২৬ আগস্ট সকালে চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে হিমালয়ের ৫ হাজার মিটার উচ্চতায় শুরু হয় এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়। পাহাড় থেকে নেমে আসা বরফ, পাথর, কাদা ও পানি একটি নদীর প্রবাহ আটকে দেয়, যা পরে বাধ ভেঙে প্রবল বেগে ছুটে যায়। এই ভয়াবহ ঢল প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়, নেপালের রাসুয়া, নুওয়াকোট ও ধাদিংসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। ১০টিরও বেশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়, যা নেপালের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশেরও বেশি।
ত্রিশূলী নদীর পানির উচ্চতা ৩০ মিনিটে ৯ মিটার বেড়ে যায়, প্রথম ২২ কিলোমিটার পথ গড়ে ঘণ্টায় ১৯৩ কিলোমিটার গতিতে অতিক্রম করে। পরে পানি নারায়ণী নদী হয়ে ভারতে প্রবেশ করে, বিহারের গান্ডাক ব্যারেজে পানির প্রবাহ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কিউসেক। চীন জানিয়েছে, সীমান্তের কাছে নতুন একটি হ্রদ তৈরি হয়েছে, যেটি ইতোমধ্যে উপচে পড়ছে।








