জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় সংকোচন নীতি এবং তরুণদের প্রতি অবহেলার প্রতিবাদে ইউরোপজুড়ে জেন-জিরা আবার বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। হ্যালোইন উদযাপনের মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি ও পোল্যান্ডে ব্যাপক সংঘর্ষ, লুটপাট ও ধরপাকড়ের ঘটনা ঘটেছে। ইতালিতেও বিক্ষোভ হয়েছে। ফ্রান্সে পুলিশ ৫ শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে, যেখানে সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ১২০ শতাংশে পৌঁছেছে। জার্মানিতে নজিরবিহীন লুটপাট ও পেট্রলবোমা হামলার ঘটনা ঘটে। পোল্যান্ডে সাংবিধানিক ট্রাইব্যুনালের প্রধানকে বরখাস্ত করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ফ্রান্সের শিক্ষাব্যবস্থার অবনতি, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পদ্ধতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, পরে শ্রমিক সংগঠনগুলো যোগ দেয়। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে 'ইয়েলো ভেস্ট' আন্দোলনও সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই অস্থিরতা প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সরকারের জন্য একটি সংবেদনশীল সময়ে দেখা দিয়েছে।







