নীতিমালা
সম্পাদকীয় নীতি
মুঠোখবর নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে না; দেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বেছে নিয়ে নিজস্ব ভাষায় ছোট করে লেখে, আর প্রতিটিতে মূল প্রতিবেদনের লিংক দেয়। এই পাতায় সোজাসুজি লেখা আছে — একটি শর্ট কীভাবে তৈরি হয়, কোন সিদ্ধান্ত কে নেন, আর ভুল হলে কী হয়।
- সর্বশেষ আপডেট
- সর্বশেষ আপডেট ২৩ অক্টোবর ২০২৬
- ০৫ বিষয়
- পড়তে ~২ মিনিট
এক নজরে
সবসময় সূত্রসহ
প্রতিটি শর্টে মূল প্রকাশকের নাম ও প্রতিবেদনের সরাসরি লিংক।
নিজস্ব ভাষায়
প্রতিটি খবর মূল প্রতিবেদন থেকে মুঠোখবর ডেস্কের নিজস্ব ভাষায়, ১০০–১২০ শব্দে।
প্রতিটি খবরে নাম
প্রতিটি শর্টে প্রকাশকের নাম থাকে; সম্পাদক যে খবর যাচাই করে পটভূমি যোগ করেন, সেখানে তা আলাদা করে লেখা থাকে।
কোনো দলের পক্ষে নয়
একই ঘটনার ভিন্ন সূত্রের খবর পাশাপাশি রাখা হয়।
আমরা কী করি, কী করি না
- দেশের প্রধান পত্রিকা, টিভি ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর বেছে নিই। পূর্ণ তালিকা সংবাদমাধ্যম পাতায়।
- প্রতিটি খবর নিজস্ব ভাষায় ১০০–১২০ শব্দে লিখি, সঙ্গে এক লাইনে "কেন গুরুত্বপূর্ণ"।
- মূল প্রতিবেদন হুবহু বা বড় অংশ কপি করি না, পেওয়াল এড়াই না, ছবি-ভিডিও নিজেদের বলে দাবি করি না।
- নিজেরা মাঠপর্যায়ের রিপোর্টিং করি না; তাই কোনো খবরকে "এক্সক্লুসিভ" বলি না।
একটি শর্ট যেভাবে তৈরি হয়
সংক্ষেপে:মুঠোখবর ডেস্ক খবর বাছাই করে নিজস্ব ভাষায় লেখে; সূচিভুক্তি, পটভূমি, সংশোধন ও অপসারণের সিদ্ধান্ত সম্পাদকের।
- ০১
খবর সংগ্রহ
সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট ও ফিড থেকে নতুন প্রতিবেদনের লিংক সংগ্রহ হয়; একই ঘটনার একাধিক প্রতিবেদন মিলিয়ে একটি রাখা হয়।
- ০২
সারসংক্ষেপ
মুঠোখবর ডেস্ক মূল প্রতিবেদন থেকে বাংলায় সারসংক্ষেপ, শিরোনাম ও "কেন গুরুত্বপূর্ণ" লাইন লেখে। নিয়ম: শুধু মূল প্রতিবেদনের তথ্য, কোনো মতামত নয়, ছয় শব্দের বেশি হুবহু নয়।
- ০৩
মান-যাচাই
খুব ছোট বা অসম্পূর্ণ লেখা, মূল লেখার কপি, ডুপ্লিকেট খবর এবং মানহীন ছবি প্রকাশের আগেই বাদ পড়ে।
- ০৪
সম্পাদকের যাচাই ও পটভূমি
সম্পাদকেরা প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো মূল প্রতিবেদনের সাথে মিলিয়ে দেখেন এবং "পটভূমি ও প্রেক্ষাপট" অংশ লেখেন বা যাচাই করেন। এমন খবরে সম্পাদকের নাম “সম্পাদনা ও পটভূমি” হিসেবে থাকে।
- ০৫
একাধিক সূত্রে মেলানো পটভূমি
যে খবর অন্তত দুটি সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে, সেখানে মুঠোখবর ডেস্ক সবগুলো প্রতিবেদন মিলিয়ে পটভূমি লেখে; প্রতিটি বাক্য সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়, আর প্রতিদিন এর কয়েকটি সম্পাদক আলাদা করে যাচাই করেন। পটভূমির নিচে লেখা থাকে কোন কোন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মেলানো হয়েছে। সম্পাদক-যাচাই করা বা একাধিক সূত্রে মেলানো পটভূমিসহ খবরই কেবল সার্চ ইঞ্জিনে তালিকাভুক্ত হয়।
কৃতিত্ব ও স্বত্ব
প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিওর স্বত্ব সংশ্লিষ্ট প্রকাশকের। প্রতিটি শর্টে প্রকাশকের নাম, লোগো ও "মূল খবর পড়ুন" লিংক থাকে; সার্চ ইঞ্জিনের জন্য কাঠামোবদ্ধ ডেটাতেও (isBasedOn, citation) মূল প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়।
কোনো প্রকাশক তাঁর কনটেন্ট সরাতে চাইলে ইমেইল করুন — যাচাই সাপেক্ষে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরানো হয়।
নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা
- কোনো রাজনৈতিক দল, সরকারি সংস্থা বা ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর অর্থ বা নির্দেশে খবর বাছাই হয় না।
- বিজ্ঞাপন স্পষ্টভাবে "বিজ্ঞাপন" চিহ্নিত থাকে এবং খবরের লেখায় বিজ্ঞাপনদাতার প্রভাব থাকে না।
- একই ঘটনায় ভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ভিন্ন বক্তব্য থাকলে আমরা কারও পক্ষ নিই না; উদ্ধৃতি যার, তাঁর নামেই রাখি।
ভুল হলে
তথ্যগত ভুল ধরা পড়লে দ্রুত সংশোধন করি এবং খবরে "হালনাগাদ" সময় দেখানো হয়। মূল প্রতিবেদন প্রত্যাহার হলে শর্টটিও সরানো হয়। বিস্তারিত সংশোধন নীতিতে।
কথা বলতে চান?
প্রশ্ন, মতামত, সংশোধন বা প্রকাশক হিসেবে অনুরোধ — সবকিছুর একটাই ঠিকানা। সাধারণত ২–৩ কার্যদিবসে উত্তর দিই।
[email protected]
