যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কাতারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছে। আগামী ৩ নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে কাতার।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানির একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি ইরানে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে কাতার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানকে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যা তেহরান পেয়েছে কিন্তু এখনো জবাব দেয়নি।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন সামরিক সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার কাতারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানকে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যা তেহরান পেয়েছে কিন্তু এখনো জবাব দেয়নি। কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি ইরানে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম যুক্ত করতে চায়, কিন্তু ইরান আগে মার্কিনিদের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার ও তেল রপ্তানি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম যুক্ত করতে চায়, কিন্তু ইরান আগে মার্কিনিদের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার ও তেল রপ্তানি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম যুক্ত করতে চায়, কিন্তু ইরান আগে মার্কিনিদের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার ও তেল রপ্তানি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্ত দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস মারফি এই সামরিক পরিকল্পনাকে ‘উন্মাদনাপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছিলেন, অতীতে আলোচনার সময়ও ইরানের ওপর হামলা হওয়ায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান আস্থা হারাচ্ছে। কাতারি প্রতিনিধি দল সম্ভবত ইরানের প্রতিক্রিয়া জানতে এবং নতুন কূটনৈতিক পথের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে সেখানে গেছে। আল জাজিরার সূত্রমতে, আগামী সপ্তাহে দোহা বা ইস্তাম্বুলে একটি বৈঠক হতে পারে। কাতারের এই কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলে দুই দেশ আলোচনায় ফিরবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্য বড় সামরিক সংঘাতের মুখে পড়বে, তা সময়ই বলবে।
মুঠোখবর ডেস্ক · ৩টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: মানবজমিন, ঢাকা পোস্ট, বাংলাদেশ প্রতিদিন