রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় রিকশাচালক হাফিজুল শিকদার হত্যা মামলায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত শুক্রবার এই আদেশ দেন। দুই দিনের রিমান্ড শেষে দীপু মনিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বাড্ডার প্রগতি সরণি এলাকায় গুলিতে নিহত হন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার। এ ঘটনায় হাফিজুলের বাবা বাদী হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০-৪০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় হাফিজুলের বাবা মো. আবুবকর শিকদার বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করা হয়।
চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ড কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করেন এবং আদালত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তা কার্যকর করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, গত বুধবার দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়। দুই দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে রাখার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদন করেন। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মুঠোখবর ডেস্ক · ২টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন