ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গায়ক আবু জাহিদ ওরফে অন্তুর বিরুদ্ধে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী ও মডেল জান্নাতুন তাজরি অরার করা শ্লীলতাহানি ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ। তদন্ত শেষে মামলাটিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে অন্তুকে অব্যাহতির সুপারিশসহ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে বাদী অরার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতিও চেয়েছে পুলিশ।
মামলার নথি অনুযায়ী, অন্তু পেশায় গায়ক, মডেল ও গিটার প্রশিক্ষক। অরার অভিযোগ ছিল, গত ২ মে তাকে গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন ও শারীরিকভাবে আঘাত করেন অন্তু। তবে তদন্তে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং বাদীও কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। চিকিৎসকের প্রতিবেদনেও কোনো আঘাত বা নিপীড়নের আলামত পাওয়া যায়নি।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
মামলার নথি অনুযায়ী, অন্তু পেশায় গায়ক, মডেল ও গিটার প্রশিক্ষক। তবে তদন্তে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং বাদীও কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। চিকিৎসকের প্রতিবেদনেও কোনো আঘাত বা নিপীড়নের আলামত পাওয়া যায়নি। ২০২৫ সালে টিএসসিতে গিটার শেখার সূত্রে অন্তু ও অরার পরিচয় হয়, যা পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। তবে একসময় সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং বিচ্ছেদ ঘটে। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, জান্নাতুন তাজরি অরা অন্তুকে প্রেমের প্রস্তাব দিলেও তিনি রাজি হননি। এরপর দুজনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ২ মে সকালে সেখানে গিয়ে অন্তুকে পাননি তিনি। একই দিন বিকেলে দুজনের দেখা হয় এবং বাসার অফিসকক্ষে বসে কথা বলেন।
মামলাটিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে অন্তুকে অব্যাহতির সুপারিশসহ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে বাদী অরার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতিও চেয়েছে পুলিশ। গত ৩১ জুলাই পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এখন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত।
মুঠোখবর ডেস্ক · ৩টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, যমুনা টিভি