রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে নীতিগত ঐকমত্য তৈরি হলেও নির্বাচনকালীন সরকার কিভাবে গঠিত হবে এবং প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, তা নিয়ে এখনো জটিলতা রয়ে গেছে। জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাবিত পাঁচ সদস্যের বাছাই কমিটি, ৫+৫+২ পদ্ধতি, বিচার বিভাগের দুই প্রতিনিধি যুক্ত করা এবং সাত সদস্যের কমিটিতে গোপন ব্যালটে ‘র্যাংকড চয়েস’ ভোটের মতো একাধিক ধাপ নিয়ে দলগুলোর ভিন্নমত রয়েছে।
বিশেষ করে বিচার বিভাগের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তি, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে র্যাংকড চয়েস পদ্ধতি এবং পদ শূন্য হলে উত্তরসূরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে। ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় নীতিগত ঐকমত্য এলেও এটিকে কার্যকর সাংবিধানিক কাঠামোয় রূপ দেওয়াই এখন বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।








