ইরান ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক নিখুঁত হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় তেল রফতানি, গ্যাস উৎপাদন, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানিশোধন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আঞ্চলিক অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলকে জটিল করে তুলেছে।
রয়টার্সের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অন্তত সাতটি দেশে ৮৪টি অবকাঠামোগত স্থাপনায় ১৩৫টির বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর, কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনা, সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন, বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর, ডেটা সেন্টার ও বিদ্যুৎকেন্দ্র উল্লেখযোগ্য।







