জামালপুরের সারিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সংকটের কারণে সার উৎপাদন আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোর থেকে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। দৈনিক ১৭শ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটি এর আগেও গ্যাস সংকটে দীর্ঘ আট মাস বন্ধ ছিল।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৪২-৪৩ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হলেও তা সরবরাহ করা হচ্ছে না। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই কারখানাটি উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে থাকে এবং এর উৎপাদন বন্ধ থাকলে প্রান্তিক কৃষক পর্যায়ে সারের সংকট দেখা দিতে পারে।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সংকটের কারণে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে কর্তৃপক্ষ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটি এর আগেও বিভিন্ন সময়ে গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ ছিল। ঢাকা পোস্ট ও খবরের কাগজ সূত্রমতে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এটি ২৩ মাস বন্ধ ছিল, পরে গ্যাসের চাপ বাড়লে উৎপাদন শুরু হয়। তবে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সাত মাস পর গত ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে পুনরায় গ্যাস সংযোগ প্রদান করে। কিন্তু ৭ অক্টোবর বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ হয় এবং ২৩ অক্টোবর আবার উৎপাদনে ফেরে। তবে উৎপাদনে ফেরার দুই দিনের মাথায় গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হয়ে গেল কারখানাটি।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন হলেও তা সরবরাহ করা হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু হবে। এই কারখানাটি উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে। এর উৎপাদন বন্ধ থাকলে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সারের অভাব দেখা দিতে পারে।
মুঠোখবর ডেস্ক · ৪টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: এনটিভি অনলাইন, ঢাকা পোস্ট, খবরের কাগজ, চ্যানেল আই