নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এবং তার ছেলের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার দলীয় পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নাটোর জেলা বিএনপি। গঠনতান্ত্রিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে বিষয়টি দলের হাইকমান্ডের ওপর ছেড়ে দিয়েছে জেলা কমিটি।
সম্প্রতি আব্দুল আজিজের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার বড় ছেলে নূরুজ্জামান মিন্টুকে ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এই দুই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে জেলা বিএনপি জরুরি সভা করে। সভায় গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা করে জেলা কমিটির কোনো এখতিয়ার নেই বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছায়।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এবং তার ছেলের গ্রেপ্তারের পর, নাটোর জেলা বিএনপি তার দলীয় পদ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। সম্প্রতি আব্দুল আজিজের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার বড় ছেলে নূরুজ্জামান মিন্টুকে ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এই দুই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে জেলা বিএনপি জরুরি সভা করে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তাই তার দলীয় পদ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ওপর ছেড়ে দিয়েছে জেলা কমিটি।
এই পরিস্থিতিতে কী করণীয়, তা নির্ধারণ করতে শুক্রবার সকাল ১০টায় নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি বিশেষ সভা আহ্বান করে জেলা বিএনপি। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘আমরা সব ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের কাছে আব্দুল আজিজ জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া তিনি একজন জাতীয় সংসদ সদস্যও। তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জেলা কমিটির কোনো যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই। সর্বসম্মতিক্রমে, এ বিষয়ে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত দলীয় হাইকমান্ডের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।’ শুক্রবার গুরুদাসপুর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসানের আদালতে এই আবেদন করা হয়।
মুঠোখবর ডেস্ক · ২টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: কালবেলা, চ্যানেল 24