সরকার ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করেছে। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে এই গতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার রাখতে হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রযোজ্য হবে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, পাঁচ বছরের জন্য ই-রিকশার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য পূরণ না করলে কোনো ই-রিকশা সড়কে চলতে পারবে না। যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে চালক ছাড়া সর্বোচ্চ দুই অথবা চারজন যাত্রী বহন করা যাবে এবং বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন নিষিদ্ধ। নিবন্ধন ফি যাত্রী ধারণক্ষমতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে, যেখানে ২ জন ধারণক্ষমতার জন্য ৮ হাজার টাকা এককালীন ও ৪ হাজার টাকা বার্ষিক এবং ৪ জন ধারণক্ষমতার জন্য ১০ হাজার টাকা এককালীন ও ৫ হাজার টাকা বার্ষিক ফি প্রযোজ্য হবে।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন বিধিমালা জারি করেছে। নতুন নিয়মে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় এই গতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার রাখতে হবে। বুয়েটের নির্ধারিত কারিগরি মান ও সুরক্ষার বৈশিষ্ট্য পূরণ না করলে কোনো ই-রিকশা রাস্তায় নামানো যাবে না। ই-রিকশায় চালক ব্যতীত আকার অনুযায়ী দুই বা চারজন যাত্রী নেওয়া যাবে এবং বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, পাঁচ বছরের জন্য ই-রিকশার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। দুই আসনবিশিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাবদ এককালীন ৮ হাজার এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। চার আসনবিশিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাবদ এককালীন ১০ হাজার এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। সকল প্রকার ই-রিকশার ফিটনেস সনদের জন্য ১ হাজার টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না, আর জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও প্রধান বাস রুটে এদের চলাচল নিষিদ্ধ।
মুঠোখবর ডেস্ক · ৫টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, আমার দেশ, কালবেলা, চ্যানেল 24