ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থা ভারতের মতো দেশগুলোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির জোট সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পায়নি। বিরোধী জোটের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে, যা ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে।
ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি ও মহাকাশ গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে। আইজেনকোটের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে ইসরায়েল ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করতে পারে এবং গাজা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনার জবাব দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সামনে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি বিদ্যমান সহযোগিতার গতি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ থাকবে।











