ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর কোনো জোটই সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য ৬১ আসন প্রয়োজন, কিন্তু কোনো দল বা জোট এই ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট ৫৩টি আসন এবং বিরোধী জোট ৪৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বাকি ১৯টি আসন পেয়েছে আরব দলগুলো।
সরকার গঠনের জন্য ১২ সপ্তাহ সময় আছে, এর মধ্যে সমাধান না পেলে আবার নির্বাচন হতে পারে। বিরোধী দলগুলো ইহুদি-আরব সহযোগিতার ভিত্তিতে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে, তবে ডানপন্থী নেতারা এর বিরোধিতা করছেন। জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠন বা দলত্যাগীদের নিয়ে জোট গঠনের মতো বিকল্পও রয়েছে, তবে সেগুলোও সহজ নয়।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর কোনো জোটই সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসন ১২০টি, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি। তবে কোনো দল বা জোট এই সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেনি। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট ৫৩টি আসন এবং বিরোধী জোট ৪৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, যেখানে দুটি আরব দল পেয়েছে ১৯টি আসন। নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে, যা ২০২২ সালের নির্বাচনে তাদের পাওয়া ৬৪টি আসন থেকে কম। এই নির্বাচনকে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও তাঁর সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে এক ধরনের গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর এটিই ছিল দেশটিতে প্রথম নির্বাচন।
দলগুলো আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে সমঝোতায় না পৌঁছালে ইসরায়েলকে পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে। বিরোধীরা ইহুদি-আরব সহযোগিতার ভিত্তিতে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু ডানপন্থী নেতারা এর বিরোধিতা করছেন। জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠন বা দলত্যাগীদের নিয়ে জোট গঠনের মতো বিকল্পও রয়েছে, তবে সেগুলোও সহজ নয়। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ আগামী সপ্তাহে ভোটের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়ার পর সব দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। প্রেসিডেন্ট সম্ভবত প্রথমে গাদি আইজেনকটকে সরকার গঠনের সুযোগ দিতে পারেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনা থমকে থাকলে নেতানিয়াহুর লাভ হবে, কারণ নতুন সরকার না হওয়া পর্যন্ত তিনিই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।
মুঠোখবর ডেস্ক · ৩টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: কালের কণ্ঠ, প্রথম আলো, যুগান্তর