সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে শত শত প্রার্থীকে যাচাই-বাছাইয়ের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পিরোজপুরের জাহিদ হাসান নামের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীও নিয়োগপত্র পাননি, যদিও তিনি মেধাতালিকায় ৫৪তম ছিলেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১টি জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে, বিভিন্ন জেলায় ২ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের নামে এই বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘটছে, যা গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী।


