যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘ট্রাফিকিং ইন পারসন্স (টিআইপি) রিপোর্ট’-এ বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মানবপাচার দূরীকরণের ন্যূনতম মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি, তবে তা অর্জনে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিগত মূল্যায়নের সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ সরকার তাদের প্রচেষ্টা বাড়ালেও, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকার ‘টিয়ার ২’ বা দ্বিতীয় স্তরেই রয়ে গেছে।
রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়, মানবপাচারের সর্বোচ্চ ঝুঁকি থাকা ‘টিয়ার ৩’ বা তৃতীয় ধাপে অবস্থান করা ১০ দেশে গত ২১ মাসে ৪১ হাজারের বেশি কর্মী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। এই দেশগুলোর মধ্যে কম্বোডিয়া, রাশিয়া ও লাওসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী গেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার মানবপাচার রোধে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করলেও, কম সংখ্যক পাচারকারীকে দোষী সাব্যস্ত করা এবং ভুক্তভোগীদের শনাক্তকরণ ও পুনর্বাসনে অপর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিয়েছে।







