ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের রাজনৈতিক আশ্রয় বদলাচ্ছে। আওয়ামী লীগ আমলে ১৬ মামলার আসামি মো. মুরাদ নামের এক যুবলীগ নেতার আশ্রয়ে থাকলেও, বর্তমানে তাকে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। মুরাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রবাজি, জায়গা দখল ও মাদক ব্যবসায় কিশোর গ্যাং ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাঁর লোকজনের সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, নগরের অন্তত ৪৫টি এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রয়েছে এবং গত সাড়ে সাত বছরে অন্তত ৬৩৫টি অপরাধে এদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৯টি হত্যাকাণ্ড।
পুলিশের হিসাবে, ২০১৮ সালে স্কুলছাত্র আদনান ইসফার হত্যার পর চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সে সময় ৪৮ জন পৃষ্ঠপোষকের তালিকা করা হয়েছিল, যাদের আশ্রয়ে প্রায় ২০০ কিশোর গ্যাংয়ে অন্তত ১ হাজার ৪০০ সদস্য সক্রিয় ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত অনেক পৃষ্ঠপোষক গা ঢাকা দিলেও, তাদের আশ্রয়ে থাকা কিশোর গ্যাংগুলোর নেতা-সদস্যদের বড় অংশ এলাকায় থেকে যায় এবং এদের কেউ কেউ এখন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতা-কর্মীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেছেন।



