সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সমবায়ভিত্তিক 'কমিউনিটি ট্যুরিজম' জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বড় বাণিজ্যিক হোটেলের পরিবর্তে স্থানীয়রা নিজেদের গোলপাতার ছাউনি দেওয়া ঘরে পর্যটকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করছেন। এতে একদিকে যেমন পর্যটকরা গ্রামীণ জীবন ও স্থানীয় রান্নার স্বাদ পাচ্ছেন, তেমনি স্থানীয়দের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। শ্যামনগরের দাতিনাখালী, বুড়িগোয়ালিনীসহ সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামগুলোতে এই উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়েছে।
যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা আসছেন প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করতে। তারা স্থানীয়দের আতিথেয়তা এবং গোলপাতার ঘরে থাকার অভিজ্ঞতাকে শহরের আধুনিক হোটেলের চেয়ে ভিন্ন ও আকর্ষণীয় বলে মনে করছেন। সুন্দরবন ঘুরে দেখতেও পর্যটকদের জন্য নৌকার ব্যবস্থা থাকছে।





