সরকারি হাসপাতালের সামনেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। দালাল ও বিপণনকর্মীরা রোগীদের নানাভাবে প্রলোভন দেখিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রায় ৩০ হাজার হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মধ্যে ১৯ হাজার ৬৪০টি নিবন্ধিত, বাকি ১০ হাজার ৩৬০টি এখনো অননুমোদিত। লাইসেন্স প্রক্রিয়ার জটিলতা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর গাফিলতি এর অন্যতম কারণ। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, অবৈধ হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজ করার কাজ চলছে। জনবল ও সক্ষমতার অভাবে তদারকি ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযানে এ পর্যন্ত ২৫০টির বেশি অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।







