কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অপ্রতিমের মা নাহিদা বেগম হত্যাকাণ্ডের পেছনে দুটি বিষয়কে সন্দেহ করছেন। তিনি মনে করেন, সম্প্রতি অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে এক কিশোরের চাকরি নেওয়া এবং সহকারী প্রক্টর থাকাকালে কয়েকজন কিশোর অপরাধীকে পুলিশে দেওয়ার ঘটনা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
তিনি গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির প্রকৃত বয়স নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে বয়স নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষক সমিতির মানববন্ধনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয় এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।








