কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম তার ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পেছনে দুটি ঘটনাকে সন্দেহ করছেন। তিনি মনে করেন, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে এক কিশোরের চাকরি নেওয়া এবং সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন কিশোর অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনাগুলো তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।
সোমবার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির আয়োজনে আয়োজিত মানববন্ধনে নাহিদা বেগমের সহকর্মী সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নাহার এই সন্দেহের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দুই কিশোরের বয়স নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা অপ্রতিম হত্যার বিচার এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।








