ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার বাহিয়ার বিপক্ষে খেলার সময় প্রতিপক্ষ মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে বিতর্কের জেরে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। মুখে হাত দিয়ে কথা বলার ঘটনায় তাকে ‘ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রুল’ ভঙ্গের অভিযোগে ব্রাজিলের স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হলে ছয় ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন এই ফরোয়ার্ড।
গত শনিবারের ম্যাচে নেস্তরের সঙ্গে তর্কের সময় মুখ ঢেকে কথা বলার জন্য রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখান। বাহিয়া অভিযোগ করেছে, নেইমার নেস্তরকে মৌখিকভাবে অপমান করেছেন। তবে নেইমার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি নেস্তরকে কোনো মন্তব্য করেননি। বুধবার শুনানির পর তার শাস্তি নির্ধারিত হবে।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে বাহিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে প্রতিপক্ষ মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন নেইমার। উত্তেজনার মুহূর্তে নিজের মুখ হাত দিয়ে ঢেকে কথা বলার কারণে রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এই ঘটনাটি ‘ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রুল’ বা ‘ভিনি জুনিয়র প্রটোকল’ লঙ্ঘনের দায়ে ব্রাজিলের স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে। বাহিয়া অভিযোগ করেছে যে নেইমার নেস্তরকে মৌখিকভাবে অপমান করেছেন, যদিও নেইমার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনার জেরে নেইমারকে সর্বোচ্চ ছয় ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে বলে জাগো নিউজ জানিয়েছে। তবে প্রথম আলো অনুযায়ী, ব্রাজিলের ক্রীড়া বিচারবিষয়ক সর্বোচ্চ আদালতের শৃঙ্খলা কমিটি নেইমারকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে। এই শাস্তির সঙ্গে তার আগের একটি স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞাও যুক্ত হওয়ায় সব মিলিয়ে তিনি সান্তোসের পরবর্তী তিন ম্যাচে খেলতে পারবেন না। বুধবার শুনানির পর তার চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারিত হবে, তবে ক্লাব চাইলে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।
ব্রাজিলের ক্রীড়া বিচারবিধির ১৯১ নম্বর অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় ধারায় আনা অভিযোগের ভিত্তিতে এই শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটি মনে করে, নেইমারের আচরণ ফিফার নিয়মাবলীর ৭ নম্বর ধারা ভঙ্গ করেছে। এই নিয়মটি তৈরি করা হয়েছে বর্ণবাদী বা আপত্তিকর মন্তব্য লুকানোর জন্য মুখ ঢেকে কথা বলা বন্ধ করতে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নভেম্বরের ফিফা বিরতির পরেও তাকে এক ম্যাচ দর্শক হয়ে থাকতে হবে। তবে লিগের শেষ তিন রাউন্ডে তাকে আবার দলে পাওয়ার কথা সান্তোস কোচ কুকার।
মুঠোখবর ডেস্ক · ২টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে: জাগো নিউজ, প্রথম আলো