সরকার চালকল মালিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দুই লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে এক লাখ ১৫ হাজার টন চালের বরাদ্দপত্র দিতে তালিকা করা হয়েছে। চালকল মালিকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বাড়তি ক্রয় করা হচ্ছে, যেখানে প্রায় দেড়শ আবেদনের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের ডিও লেটার সংযুক্ত আছে। এই প্রক্রিয়ায় কৃষকের পর এবার ভোক্তারাও ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। গত বোরো মৌসুমে চালকল মালিকরা কৃষকের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে মজুত করেছিলেন, যা বাজারে সরবরাহ এবং সরকারি গুদামে দেওয়ার পরও উদ্বৃত্ত রয়ে গেছে। সরকার এই বাড়তি চাল কিনতে রাজি হওয়ায় তা সরাসরি বাজারে আসছে না, যা খুচরা পর্যায়ে দাম ভোক্তার জন্য আরও সহনীয় করতে পারত।
খাদ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, অতিরিক্ত চাল বিক্রির জন্য প্রায় ৮৫০ চালকল মালিক আবেদন করেছেন, যার মধ্যে দেড় শতাধিক মালিক স্থানীয় সংসদ সদস্যদের ডিও লেটার সঙ্গে দিয়েছেন। সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত সক্ষমতার চেয়ে বেশি হওয়া সত্ত্বেও এই অতিরিক্ত চাল কেনার আয়োজন শুরু হয়েছে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের ধান-চাল সংগ্রহের নীতিতে কৃষক সরাসরি সুবিধা পাওয়ার চেয়ে চালকল মালিকরাই বেশি লাভবান হন।




