জিম্বাবুয়ের নারীরা এখন চীনের রফতানি বাজারের জন্য ব্লুবেরি সংগ্রহ করছেন। সম্প্রতি চীনের সাথে নতুন বাণিজ্য চুক্তির ফলে এই বাজার তাদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। হারারে থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ফরেস্টার এস্টেটস খামারের ব্যবস্থাপকেরা আগামী বছর ব্লুবেরি চাষের জমি দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ৫০ হেক্টরে নিতে চান। চীনে ব্লুবেরির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে, খামারের ব্যবস্থাপক অ্যালবার্ট চাকালা জানিয়েছেন যে অর্থায়নই প্রধান সমস্যা। প্রতি হেক্টর নতুন ব্লুবেরি বাগানে শুরুতেই প্রায় ৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা সেচ, চারা ও অন্যান্য অবকাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
সাশ্রয়ী অর্থায়নের সুযোগের অভাব জিম্বাবুয়ের অনেক কৃষকের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্কটের কারণে কৃষকেরা প্রায়ই প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে পারেন না। জিম্বাবুয়ের ব্লুবেরি ইতোমধ্যে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে গেলেও চীন একটি নতুন ও বৃহৎ বাজার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মরক্কো ও দক্ষিণ আফ্রিকার পর জিম্বাবুয়ে আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম ব্লুবেরি উৎপাদনকারী দেশ এবং বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল উৎপাদকদের মধ্যে অন্যতম। খাতটি সরকারের সাথে আরো প্রতিযোগিতামূলক রফতানি অর্থায়ন এবং সেচ, সৌরবিদ্যুৎ ও শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট কর-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করছে।





