ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রায় সাত মাস অতিক্রান্তে দুজন সংসদ সদস্য গুরুতর অভিযোগে আলোচিত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম নৈতিক স্খলনের দায়ে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও কারাগারে রয়েছেন এবং সংসদ সদস্য পদে বহাল আছেন। অন্যদিকে, বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ঢাকার মিরপুরে একটি কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। অতীতেও বিভিন্ন কারণে সংসদ সদস্যপদ শূন্য হওয়া বা দল থেকে বহিষ্কারের নজির রয়েছে, তবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলত্যাগ বা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের কারণে আসন বাতিলের ঘটনাও ঘটেছে।
সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণগুলো সংবিধানে উল্লেখ আছে, যার মধ্যে রয়েছে শপথ গ্রহণে ব্যর্থতা, অধিবেশনে অননুমোদিত অনুপস্থিতি, আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা, দেউলিয়া হওয়া, বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ বা নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড। এছাড়া, দলত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আসন শূন্য হতে পারে। আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মতো সংসদ সদস্যরাও বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ হারানোর পর গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন।




